Editorial News 24

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর মামলায় সাক্ষ্য দিলেন দুজন

🔔 নতুন তথ্য ও খবর পেতে এখনই আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় যুক্ত হোন।

Picture of Editorial News 24

Editorial News 24

শহীদ আস সাবুরের বড় ভাইয়ের জবানবন্দি

রিজওয়ানুল ইসলাম জবানবন্দিতে বলেন, তাঁর ছোট ভাই আস সাবুর দশম শ্রেণির ছাত্র ছিল। গত বছরের ৫ আগস্ট আস সাবুর সকালে প্রাইভেট পড়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়। তাঁকে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আস সাবুর ফোন করে জানায়, বাইপাইল মোড়ের কাছে গোলাগুলি চলছে। তার সামনে একজনের মাথায় গুলি লেগেছে, একজনের কোমরে গুলি লেগেছে, একজনের পেটে গুলি লেগেছে। তিনি আস সাবুরকে বাড়ি ফিরে যাওয়ার কথা বলেন। কিন্তু আস সাবুর বলে, সব রাস্তা বন্ধ, অনেক মানুষ জমায়েত হয়ে আছে। তারপরও সে চেষ্টা করবে বাড়ি ফিরে যাওয়ার। কিন্তু দুপুরের পর থেকে তাকে ফোন দিলেও ধরেনি এবং বিকেলের পর থেকে নম্বরটি বন্ধ দেখায়। পরদিন ৬ আগস্ট বেলা সাড়ে ৩টার দিকে সমন্বয়ক ইমরান তাঁকে ফোনে জানান আস সাবুরকে পাওয়া গেছে। তিনি জিজ্ঞেস করেন, আস সাবুর কি বেঁচে আছে? তখন জানান, তাকে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

শহীদ সাজ্জাদের বাবার জবানবন্দি

শহীদ সাজ্জাদের বাবা খলিলুর রহমান জবানবন্দিতে বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট তিনি ঢাকার তেজগাঁও এলাকায় কর্মরত ছিলেন। তাঁর স্ত্রী আশুলিয়ার একটি হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন। তাঁর স্ত্রী সেদিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাঁকে ফোন দিয়ে জানান, তাঁদের ছেলে সাজ্জাদ হোসেন মিছিলে গেছে। তিনি ডিউটি (দায়িত্ব পালন) শেষে সেদিন বিকেল ৫টায় ছেলের নম্বরে ফোন দিয়ে বন্ধ পান। তিনি তাঁর স্ত্রীকে ফোন দিয়ে খোঁজ নিতে বলেন। তবে সেদিন আর ছেলের সন্ধান পাননি।

পরের দিন (৬ আগস্ট) বেলা ৩টা থেকে সাড়ে ৩টার দিকে একজন ছেলে খলিলুর রহমানকে ফোন দেন। সেই ফোন পেয়ে তিনিসহ পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্য আশুলিয়া থানাসংলগ্ন মসজিদের সামনে যান। তখন আগুনে পোড়া লাশগুলো বের করে পলিথিনে মোড়ানো হচ্ছিল এবং লাশের সঙ্গে থাকা মালামাল চেক করছিল। তাঁর ছেলের সঙ্গে দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্ড (পরিচয়পত্র) ছিল। সেই দুটি কার্ড দেখে তাঁর ছেলের লাশ শনাক্ত করা হয়।

সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে গতকাল রোববার এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। আজ প্রথম দিনে দুজন সাক্ষী জবানবন্দি দিলেন। মামলায় মোট আসামি ১৬ জন। তাঁদের মধ্যে ৮ আসামি গ্রেপ্তার আছেন। তাঁরা হলেন সাভার সার্কেলের সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শহিদুল ইসলাম, ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহিল কাফী, ঢাকা জেলা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) সাবেক পরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন, আশুলিয়া থানার সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল মালেক, আরাফাত উদ্দীন, কামরুল হাসান, শেখ আবজালুল হক ও সাবেক কনস্টেবল মুকুল চোকদার। সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ এই মামলার আট আসামি পলাতক।

জোরালোভাবে সুপারিশকৃত -

সাম্প্রতিক পোস্ট -

বিজ্ঞাপন

বিশেষ সংবাদ নিয়ে আরও পড়ুন-

বিজ্ঞাপন

রাজনীতি নিয়ে গভীরতর ধারণার জন্য আরও পড়ুন-

🌟 আমাদের সাথে যুক্ত থাকতে এখনই সাবস্ক্রাইব করুন

Join us for

HAPPY HOUR Everyday 5PM-7PM

Beer, sake, wine and cocktails

up to 50% off